সম্প্রতি সময়ে হঠাৎই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে রমাদানের শেষ দশকে প্রতিদিন ১টাকা/রিয়াল দান করবার এবং দুই রাকাত নফল সালাত আদায় ও এর ব্যাপক ফজিলতের কথা বর্ণনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ইসলাম কি বলে?

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ‘রমাযানের শেষ দশকের প্রতি রাত্রে কমপক্ষে এক রিয়াল (টাকা) করে দান, দুই রাকাত করে নফল নামাজ পড়া…​’ সংক্রান্ত মেসেজের যথার্থতা​

এ প্রসঙ্গে সৌদি আরবের বিশিষ্ট দাঈ ও আলেমে দ্বীন শাইখ যায়েদ বিন মুসফির আল বাহরি এর বক্তব্যের সার-সংক্ষেপঃ

“সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘রমাযানের শেষ দশকের প্রতি রাত্রে এক রিয়াল (টাকা) করে দান, দুই রাকাত করে নামাজ বা যেকোনো সৎকর্ম করার নির্দেশনা সম্বলিত একটি মেসেজ লেনদেন হচ্ছে। বলা হচ্ছে, যদি তা লাইলাতুল কদর এর মধ্যে পড়ে তাহলে ৮৪ বছর সদকা বা ইবাদত করার সমান সওয়াব পাওয়া যাবে।”

এটা বিদআত-এ ব্যাপারে কোন দলিল আসে নি।

আয়েশা রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ فِيهِ فَهُوَ رَدٌّ
“যে ব্যক্তি দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন নতুন জিনিষ চালু করল তা পরিত্যাজ্য।

বুখারী, অধ্যায়: সন্ধি-চুক্তি

তিনি আরও বলেন, হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের মধ্যে সবচেয়ে দানশীল ছিলেন আর রমাযান মাসে অধিক দানশীল হয়ে যেতেন।

সহীহ বুখারী

সুতরাং দানের জন্য কোন সময় বা পরিমাণ নির্দিষ্ট করবেন না। (বরং সারা রমাযান ব্যাপী যথাসাধ্য দান-সদকা ও নেকির কাজ করুন)।

উৎস: https://bit.ly/3cD7m6M
——————-
শাইখ যায়েদ বিন মুসফির আল বাহরি​
অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল