0

প্রশ্নঃ রমাযান মাসে যদি হায়েয হয়ে যায়, তাহলে কি কি করণীয়? এছাড়া কি কি থেকে দূরে থাকতে হবে?

উত্তরঃ হায়েজ অবস্থায় একজন মহিলার জন্য বেশ কিছু কাজ বৈধ্য নয়। আবার বেশ কিছু কাজ বৈধ্য। সেগুলি রমাযান এবং রমাযানের বাহিরে একই।

হায়েয অবস্থায় বৈধ নয় সেগুলো হলঃ

একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কুরআত তিলাওয়াত করা বা আবরণ ছাড়া কুরআন স্পর্ষ করা
কাবা ঘর তাওয়াফ
মসজিদে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা
স্বামীর সাথে সহবাস করা
সালাত ও সিয়াম আদায় না করা
পরর্বতীতে সালাত কাজা করার প্রয়োজন নাই তবে সিয়ামগুলো কাজা করা আবশ্যক।

হায়েজ অবস্থায় বৈধ কাজ গুলিঃ

এ ছাড়া যত প্রকার ইবাদত আছে সবই করা জায়েয আছে। যেমন: কুরআনের তাফসীর পড়া (তবে কুরআনে মূল টেক্সগুলো পড়া যাবে না), হাদীসের বই পড়া, ইসলামী বই-পুস্তক পড়া, ইসলামী জ্ঞানার্জন করা, কুরআন তিলাওয়াত শুনা, ইসলামী আলোচনা শুনা, দুআ ও যিকির সমূহ পাঠ করা।

ব্যতিক্রমঃ

এমন কি দুআ ও যিকির হিসেবে বা রুকিয়া (ঝাড়ফুঁক) এর প্রয়োজনে কুরআনের আয়াত ও সূরা (যেমন সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস, আয়াতুল কুরসী ইত্যাদি) পড়াও জায়েয আছে।

আরও পড়ুনঃ হায়েজ-নেফাস (মাসিক) অবস্থায় মহিলাদের নামায-রোজার বিধান কি?

উত্তর প্রদানেঃ
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা


রোযা ভঙ্গের জায়েয কারণ সমূহ

Previous article

রমাযানে কবর আজাব বন্ধ থাকে কি?

Next article

You may also like